বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৭
আজ হটাৎ করে
আজ হঠাৎ করে আমার মায়ের কথা মনে পড়ে গেল। ইউরোপে থাকি ।ইউরোপে বড়করে পালন হয় বড় দিন। বাংলাদেশের ঈদের দিনের মত। আজ চার দিকে বড় সাজ সাজ রব। পুরো প্যারিস শহর সাজানো হয়েছে লাল নিল বাতি দিয়ে।রাস্থার পাশের একটি বাস, স্টেশনে দাড়িয়ে আছি ।কাজ শেষ বাসা যাব তাই।কিন্তু বাসায় গিয়ে কি হবে বাসায় কেউ নাই।বাসা একা এক বিশন্য বাতাসে শন শন করছে। আজ বড় দিন । সবাই ঘরে ফিরছে কেনাকাটা করে। যে যার মত মনের আনন্দে । আমি ঠায় অশহায় দাড়িয়ে আছি। আজ আনন্দ করার বিশন ইচ্ছা করছে।সবার মত আমারো ইচ্ছা করছে কেনাকাটা করে বাসায় যেতে । বাসায় গিয়ে দেখতে আমার প্রান প্রিও মা আমার জন্য কত শত খাবার নিয়ে বসে আছে ।পায়েস ,শন্দেশ ,দেশিও খাবার আর কত কি । বসব,আনন্দ করে বাসার সবার সাথে খাব । আমি যখন দেশেছিলাম যখন রাতে বাসা ফিরতাম,আমার মা আমার পাশে বসে , মাথায় হাত বুলিয়ে বলত আমার পাগল ছেলে দেখ সারা দিন না খেয়ে কেমন মুখ টা শুকিয়ে গেছে । মা " এখন আমার শুধু মুখ নয় ,বুকও শুকিয়ে কয়লা হয়ে ঝিকি ঝিকি জলছে সারা জীবন ,কেউ নাই, কেউ দেখেনা । বাসা শন শন করছে নিরব বাতাসে । আমি এখন কি করব? বাসায় যেতে ইচ্ছা করছেনা মা , একা ঠায় দারিয়ে মানুষের আসা যাওয়া দেখছি ।
বিষণ একলা
বড় একলা লাগছে
কারকাছে যাব, কি করব ,কোথায় যাব ভেবে পাচ্ছিনা ।
বুকের মাজে জলছে দাউ দাউ বেদনর আগুন ।
আমি একা বসে আছি বিষণ একা ।
মানুষের আসা যাওয়া দেখছি ।
মানুষ তার মানুষীকে নিয়ে কি মধুর হেসে,খেলে যাচ্ছে ।
আমি কাকে নিয়ে হাসব,
আমি কাকে নিয়ে খেলব ,
আমার খেলার সাথী
আমার আলোর বাতি ,
চলেগেছে নিভিয়ে আমার জীবনের সকল আলো ।
আমি কি করব ?
আমি এখন কি করব ?
দুহাত দিয়ে কিছু করব, সে শক্তি নেই ।
দু পা দিয়ে হাটব, সে ইচ্ছা নেই ।
একা বসে আছি ।
পথচারী সবাই কোথা থেকে কোথা চলেযায়,
আমি একা ঠায় বসে হায়।
কোথাও যাইনা
আমার কোথাও যাবার জায়গা নাই ।
হতাশা
যখন ভেঙেযায় সব আশা
তখন চলে আসে সব হতাশা
হতাশা নিয়ে বেঁচে থাকা
আর জলে কুমিরের সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকা এক ।
দেখি জলে কুমিরের সাথে লড়াই করে কত দিন বেঁচে থাকতে পারি ।
সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
পৃথিবীতে ভাল মানুষেরা ভাল থাকেনা
পাশের বাড়ির এক দাদাকে দেখলাম,
মাঝে মাঝে,কবিতা লিখতেন
গান গাইতেন,সৎ জীবন যাপন করতেন ।
প্রথমে তার বউ তাকে ছেড়ে চলে গেল ।
দুটি সন্তান অসুস্থতায় মারা গেল ।
নদী ভাঙ্গানে ভাঙ্গানে
আছতে আছতে সব জমি বিলিন হয়ে গেল ।
দাদা সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন ।
সেই সুন্দর স্বাস্থ্য ভেঙ্গে, অসুস্থ হয়ে, পাগল হয়ে,
একদিন মারাগেলেন ।
আর পাশের বাড়ির আরেক দাদা ছিলেন ।
তিনি লোক তেমন ভালছিলেন না ।
মানুষ ঠকানো ছিল তার প্রধান কাজ ।
তিনি এক বউ রেখে আরেক বউ বিয়ে করে আনলেন ।
ঘরে চারটা সন্তান রেখে ,আরও চার সন্তান নিলেন ।
জমি পঞ্চাশ বিঘা থেকে একশ বিঘা করলেন ।
তিনি দেখতে কালো চিকল ছিলেন ।
এখন তিনি দুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী ।
পৃথিবীতে ভাল মানুষেরা ভাল থাকে না
খারাপ মানুষেরা খুব বেশী ভাল থাকে ।
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
কোরান শিখতে মসজিদে এসে মসজিদের ইমামের কাছে নাবালিকা মেয়েটি ধর্ষিতহল লাইভ ভিডিওতে দেখুন ।
আমার সারা জীবন মুল্লা মুন্সীদের সম্মান করে আসছি আরা তারা আমারদের সেই দুর্বলতার সুজুগে আমাদের বোন বগিনি কে তাদের কাছে ইসলামী শিক্ষা দেয়ার জন্য আমরা মসজিদ মাদ্রাসায় দেই এর সেই সোজুগে মুল্লারা আমাদের মেয়েদের এভাবে ধর্ষণ করে তাদের অকালে জীবন নষ্ট করে । তাই এদের থেকে সাবধান ।
রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৬
বুকের মাঝে আগুন জ্বলে
বুকের মাঝে আগুন জ্বলে
উত্তপ্ত বেদনার অভিশপ্ত আগুন ।
আগুন জ্বলে আসছে হাজার বছর ধরে ।
আগুন জ্বলবে হয়ত আরো কয়েক হাজার বছর ।
পৃথিবীতে জন্ম হয়েছিল বিষাক্ত বেদনার অগ্নি কুণ্ডলী হাতেনিয়ে ।
আর তার দহনে হয়ত
সারা জীবন জ্বলতে , জ্বলতে মরতে , মরতে মরেযাব কোন একদিন ।
উত্তপ্ত বেদনার অভিশপ্ত আগুন ।
আগুন জ্বলে আসছে হাজার বছর ধরে ।
আগুন জ্বলবে হয়ত আরো কয়েক হাজার বছর ।
পৃথিবীতে জন্ম হয়েছিল বিষাক্ত বেদনার অগ্নি কুণ্ডলী হাতেনিয়ে ।
আর তার দহনে হয়ত
সারা জীবন জ্বলতে , জ্বলতে মরতে , মরতে মরেযাব কোন একদিন ।
বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬
সুখের তরী
ভালবাসার ডিঙ্গি নৌকায় যখন দিয়েছি পাড়া
তখন থেকে সব হারিয়ে ভিটা মাটি ছাড়া
একূল ওকুল সব কূল হারিয়ে ব্যাকুল হয়ে পড়েছি
তোমার প্রেমেরনামে বাজীধরে পথের ফকীর হয়েছি
পথের পথিক হয়ে এখন আমি বাউন্ডূলে
সুখের তরী হারিয়ে মরি জানি না কোন ভুলে ।
তখন থেকে সব হারিয়ে ভিটা মাটি ছাড়া
একূল ওকুল সব কূল হারিয়ে ব্যাকুল হয়ে পড়েছি
তোমার প্রেমেরনামে বাজীধরে পথের ফকীর হয়েছি
পথের পথিক হয়ে এখন আমি বাউন্ডূলে
সুখের তরী হারিয়ে মরি জানি না কোন ভুলে ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)