বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯
শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৯
সেই দিন আর তুমি ।
অনেক দিন পর, অনেক দিন আগের, আমার ছোট বেলার সৃতি নিয়ে একটি কবিতা লেখলাম । কবিতাটি আজ সবার কাছে শেয়ার করলাম,যদি আমার ছোট বেলার মত কারো ছোটবেলা মিলে যায়, তাহলে জানাবেন । ধন্যবাদ।
সেদিনের সেই দাড়িয়ে থাকা ,
একটি পলক তোমায় দেখা
তার পর লাফিয়ে লাফিয়ে
হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে বাড়ি ফেরা ।
দুষ্টমিতে মায়ের বকা
বোনের শাসন
বাবার আদর
জড়িয়ে কাঁদা বিছানা চাদর ।
সকাল বেলায় স্কুলে যাওয়া,
বিকাল বেলায় গান গাওয়া,
দুপুর বেলায় পুকুর জলে দলে দলে সাতার কাটা ,
দুটি টাকার জন্য সারা দিন মায়ের আচল ধরে পিছু হাটা ।
পাশের বাড়ির আম চুরি,
তাড়িয়ে আসা গায়ের বুড়ি।
সারা দিন মাটে, ঘাটে
সন্ধ্যা বেলায় বই পাঠে।
দাদির কাছে কেচ্ছা শুনা
মনে মনে স্বপ্ন বুনা ।
সিনেমা দেখে নাইকার প্রেমে পড়া
তাকে নিয়ে পত্র লেখা
গান শুনা ।
কবিতা পড়া ।
বিলের ধারে জাল দিয়ে মাছ ধরা
শাপলা পুলের গন্ধে হৃদয় উজাড় করা ।
এইতো ছিল জীবন
ছোট বেলা মধুর খেলা
খুজি আমি এখন।
সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৯
, কোরান না বিজ্ঞান কোনটা সত্য।
কোরানে যদি ১৫ শ বছর আগে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি ছিল তাহলে এতদিন লাগলো কেন এই বিষয় বুঝতে ? কোরানে যেহেতু ছিল তাহলে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি কয়েক শত বা কয়েক বছর আগেই প্রকাশ করলে হত ,বুঝা যেত কোরানে বিজ্ঞান আছে। আর তা এমন সময় প্রকাশ করা হলো মুল্লাদের তরফ থেকে , যখন সবে মাত্র বিজ্ঞানিরা কৃষ্ণগহ্বরের ছবি আবিষ্কার করে হাফ ছাড়লো। মুল্লা,মুন্সীরা আগে এর ব্যাখ্যা দিলো না কেন ? বিজ্ঞান যখন আবিষ্কার করল , তার পর বিজ্ঞানের সব কিছু কপিরাইট, করে সেটা কোরানের নামে চালিয়ে দিইয়ে কোরানের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে মডারেটরা। তোরা মানুষ হবি কবে ? আর কত কাল মিথ্যাচার করে মানুষকে অন্ধকরে বন্ধ রাখবি তোরা । কোরানে সব কিছু পাওয়া যায় তবে সেটা বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করার পরে , এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি আর কি হতে পারে। আচ্ছা আজ আমার একটা প্রশ্ন যদি তার উত্তর দিতে পারো কোরান থেকে , কথা দিলাম আমি আবার মুসলমান হয়ে যাব । প্রশ্ন টা হচ্ছে বিজ্ঞানীরা বলেছে যে এই মহা বিশ্বে এলিয়েনরা কোথাও না কোথাও আছে, তবে আমার প্রশ্ন টা হল , মহা বিশ্বের কোথায় এবং কি আবস্তায় এলিয়েনরা আছে ? তারা কি খায় ? কি পরে ? কি করে ? সে খানেও কি ধর্ম নিয়ে মারা মারি কাটা কাটি হয় ? । উত্তর দাও ।
শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৯
জীবনের মধ্যখান ।
আগে না হয় পিতা-মাতা
আমি কোন দুষ্টুমি করলে বকা দিত
কান্না পেত কান্না পেয়ে ,
ধীর স্থির হয়ে নিজের মত নিজে গুছিয়ে নিতাম ।
আর আজ জীবনের মধ্যখানে এসে সংসারের বোঝা মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকর প্রয়োজনে প্রতিদিন কান্না পায়
এই কান্না কোনদিন থামেনা না ।
আর কোনদিন থামবে কিনা তাও জানিনা ।
অভাব যখন সংসারে আসে হাসিখুশি, সুখ, বেঁচে থাকার সব আশ্বাস মন থেকে পালিয়ে যায় ।
ইচ্ছে হয় সবকিছু ছেড়ে চিরতরে চলে যায় ওই ও পারে যেখানে কেউ এসে বলবে না
ওঠো বাজারে যাও
বাচ্চাদের স্কুলের বেতন দাও
বাসা ভাড়া দাও
পাওনাদারের ঋণ শোধ করো ।
থাকবে না যেখানে সংসারের বোঝা, সমাজের কুকীর্তি ,
রাষ্ট্রের দুর্নীতি, অনিয়মের কালোহাত ।
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ছেলে বেলার স্বপ্ন ।
ছেলে বেলার স্বপ্ন ।
তেত্রিশ বছর হয়ে গেল কিছুই করা হলোনা আমার
ছেলেবেলায় খেলার ছলে কত স্বপ্ন দেখেছিলাম ।
ছেলেবেলায় খেলার ছলে কত স্বপ্ন দেখেছিলাম ।
আমি লেখালেখি করি
বড় হয়ে একদিন বড় লেখক হব ।
বড় হয়ে একদিন বড় লেখক হব ।
আমি গান গাইতে পারি, ভালো গানের গলা আমার
বড় হয়ে একদিন বড় নামকরা গায়ক হব ।
বড় হয়ে একদিন বড় নামকরা গায়ক হব ।
আমি ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি
বড় হয়ে একদিন বড় ক্রিকেটার হব ।
বড় হয়ে একদিন বড় ক্রিকেটার হব ।
আমি ভালো ফুটবল খেলতে পারি
বড় হয়ে একদিন বড় ফুটবলার হব ।
বড় হয়ে একদিন বড় ফুটবলার হব ।
তেত্রিশ বছর কেটে গেল ।
ছোট থেকে বড় হলাম
সংসারের হাল ধরতে লেখাপড়া ছাড়লাম ।
ছোট থেকে বড় হলাম
সংসারের হাল ধরতে লেখাপড়া ছাড়লাম ।
এখন প্রতিদিন রাতে কাঁদে বোঝা নিয়ে গাধার মতো ঘরে ফিরতে হয় । ঘরে ফিরে নানা অশান্তি লেগে থাকে প্রথিদিন ।
ছেলেবেলার সব স্বপ্ন ধূলির সাথে মিশে গেল ।
বড় হয়ে বড় কোনো কিছুই হওয়া হলোনা আমার।
বড় হয়ে বড় একটা গাধা হয়েছি ।
প্রতিদিন কাঁধে নিয়ে বোঝা ঘরে ফিরতে হয়।
ছেলেবেলার সব স্বপ্ন ধূলির সাথে মিশে গেল ।
বড় হয়ে বড় কোনো কিছুই হওয়া হলোনা আমার।
বড় হয়ে বড় একটা গাধা হয়েছি ।
প্রতিদিন কাঁধে নিয়ে বোঝা ঘরে ফিরতে হয়।
শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
ও কালো মেয়ে বলো না তুমি হবে কি আমার বধু ।
কালো বলে কেউ , কাউকে করো না অবহেলা
কালো মেয়ের কালো চুলে ভাসে মেঘের ভেলা
কালো মেয়ের কালো চোখে আছে চান্দের আলো
কালো কালো বলে লোকে সেইতো জগৎ ভালো
কাল মেয়ের রাঙ্গা ঠোঁটে আছে ফুলের মধু
ও কালো মেয়ে বলো না তুমি হবে কি আমার বধু
কালো মেয়ের গভীর চাহনি কেড়ে নিল প্রাণ
ভাই বুকে মারে টান
প্রেমের জ্বালায় জ্বলিয়া হৃদয় করে আনচান ।
কালো মেয়ের কালো ভেজা চুলে গুছিয়ে দেব ফুল ।
কানে দেব দুল
গলায় পরাবো ফুলের মালা
সে হোক না যতই কালা
কালো মেয়ের রঙ্গিন জামায় ঢাকা উত্তাল যৌবন জ্বালা
কালো মেয়ের কালো গভীর সাগরে ওঠেছে ভাই ঢেউ
খালি পড়ে রইল সাগর সাঁতার কাটল না কেউ ।
কালো মেয়ের কালো চুলে ভাসে মেঘের ভেলা
কালো মেয়ের কালো চোখে আছে চান্দের আলো
কালো কালো বলে লোকে সেইতো জগৎ ভালো
কাল মেয়ের রাঙ্গা ঠোঁটে আছে ফুলের মধু
ও কালো মেয়ে বলো না তুমি হবে কি আমার বধু
কালো মেয়ের গভীর চাহনি কেড়ে নিল প্রাণ
ভাই বুকে মারে টান
প্রেমের জ্বালায় জ্বলিয়া হৃদয় করে আনচান ।
কালো মেয়ের কালো ভেজা চুলে গুছিয়ে দেব ফুল ।
কানে দেব দুল
গলায় পরাবো ফুলের মালা
সে হোক না যতই কালা
কালো মেয়ের রঙ্গিন জামায় ঢাকা উত্তাল যৌবন জ্বালা
কালো মেয়ের কালো গভীর সাগরে ওঠেছে ভাই ঢেউ
খালি পড়ে রইল সাগর সাঁতার কাটল না কেউ ।
মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৮
গভীর রাতের কবিতা ।
গভীর রাতের কবিতা
তুমি চলে যাবার পর আমার ভীষণ একলা লাগে
তোমার কাঁধে হাত রেখে অভ্যেস হয়ে গেছিল তাই
এখন যতবার শূন্যে হাত উঠাই তোমাকে মনে পড়ে ।
এখন আমার পাশে আমার চিরচেনা বিড়াল ,
টেবিল, বসার চেয়ার ছাড়া আর কিচ্ছু নাই ।
তাই মাঝে মাঝে ওদেরকে অনেক আপন মনে হয় ।
টেবিলে মাথা রেখে তোমার কথা মনে করে সারা রাত পার করে দেই চোখের জলে বুক ভাসিয়ে ।
যখন ভোরের সূর্য পশ্চিম আকাশে উদিত হয়
তখন মনে হয় যেন বেঁচে আছি ।
আমি ভেবে পাইনা বেঁচে থাকাটা কি আমার খুব জরুরী?
আমি কেন বেঁচে আছি এখনো ?
আমার যে আর এতোটুকু ইচ্ছে করছে না বেঁচে থাকার একা একা।
মহাবিশ্ব্ শূন্যতা পছন্দ করে না তাই পদার্থের সাথে পদার্থের সংঘর্ষের ফলে বিগ ব্যাং, তারপর এই মহা বিশ্বের সৃষ্টি করেছে ।
এই মহাবিশ্বের সৃষ্টির পর
মহাবিশ্বকে সযত্নে সাজিয়ে প্রকৃতি পরম আনন্দে করছে বসবাস।
আর এই পৃথিবী নামক গ্রহের ছোট্ট একটি ঘরের একখানা বাঙা দরজা , জানালা, টেবিল-চেয়ার পানির পেয়ালাতে চুমুক দিয়ে আর কত দিন একা একা শূন্যতায় নিজের দৃষ্টি বিলাবো ।
আমি কখনো কি চুমু খেতে পারব না
নারীর লাল গোলাপের মতো রাঙা ঠোঁটে
তার ভালোবাসার চাহনি ভরা হরিণ চক্ষে,
নিতে পারবো নাকি গভীর নিঃশ্বাস তার তাজা গোলাপের গন্ধে ভরা বুকে। তার গোলাপের গন্ধ ভরা বুকে একটি গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে যদি বিষের পেয়ালায় চুমুক দিয়ে এই পৃথিবীতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করি, তবেই আমার মানব জনম সার্থক।
কিন্তু কে সে,?
সে কোন মানবী?
এসে তার বক্ষ দুয়ার খুলে হেলিয়ে আমার চোখের সামনে ধরে বলবে এসো চুমু খাও ইচ্ছে মত আর গভীর নিঃশ্বাসে আমাকে তোমার ভিতর নিয়ে নাও।
আমি ঘুমোইনি আমি ঘুমোতে চাই অনন্ত সুখে হাজার, হাজার বছর ..........
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)


