বাংলাদেশের দুই রাষ্ট্রপ্রধানই নারী কিন্তু তারা নারী হয়ে নারী উন্নয়ন করেনি কারন তারা রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছে তাদের নিজের জুজ্ঞতায় নয় একজন হয়েছে পিথার জুজ্ঞতায় আর আরেকজন হয়েছে স্বামীর জুজ্ঞতায় ।
মন তুমি আর কেদনা
জীবন যেখানে থমকে দাড়ায়
বৃথাই দুহাত শুন্যে বাড়ায়
আনে মুঠো মুঠো বেদনা । ... তাই মনকে বলি তুমি আর কেদনা জানি আছে বুকভরা বিষণ যন্ত্রণা তবুও দেই শান্তনা মন তুমি আর কেদনা কেদে কি লাভ যার সাথে তোমার ভাব সেইত তোমাকে করেছে লাঞ্ছনা তাই বলি মন তুমি আর কেদনা কাদিলেত কত কাল বাধিলেত মায়াজাল তাতে পেয়েছ শুধু যাতনা তাই বলি মন তুমি আর কেদনা তোমার ভাঙ্গা বুক অশ্রু ভেজা চোখ বিরহে ঢাকা প্রেম যমুনা তোমার সুখ কোথায় ? তুমি সুখিহও মন তুমি আর কেদনা ।
মানুষের মাজে এসে মানুষকে ভালবেসে এখন মানুষ থেকে অনেক দূরে যেতে ইচ্ছে করে । আর ভাবতে ইচ্ছেকরে হায় ! একি মানব জন্ম ? নাকি মানুষ রূপি পশুদের অমানবিক অভিশাপ ।
এই যান্ত্রিক জীবনে অমূল্য ভালবাসা আজ মূল্যহীন নিঃসঙ্গ হাটি পথে পথে আর নিজেকে বড় অসহায় লাগে বড় অসহায় হয়েগেছি এখন আমি । এই ইট, পাথরের কৃত্রিম জীবনে নিজের প্রাকৃতিক নিঃশ্বাস যেন বুকের মাজে বিধে গোলাপের কাঁটার মত সীমাহীন বেদনায় ছট ফট করি কথায়ও কোন শান্তি পাইনা ।
যেহেতু প্রতিটা প্রাণী বাঁচতে চায় তাই সবার বাঁচার অধিকার আছে ।এই বাঁচার অধিকার না দিয়ে যে অমানুষেরা পশুবলি দেয় তাদের পশুর সাথে বনেজঙ্গলে পশুর মত জীবন যাপনের জন্য ফেলে আসা উচিত । প্রতিটা কুরবানির ঈদে লক্ষ লক্ষ পশুবলি দেয়া হয়, হাজার বছর আগে এক অমানবিক দুঃস্বপ্নে নিজের পুত্র ইসমাইলকে বলিদেয়ার বদলে পশুবলি দিয়েছিল এক নরপশু । সেই নর পশুর পশুবলি দেয়া থেকে এখন কোটি কোটি নরপশু কুরবানির নামে লক্ষ লক্ষপশু বলি দিয়ে আসছে হাজার বছর ধরে । এখন আর সেই হাজার বছরের পরোন দিনগুলি নাই । ...এখন নবযুগ, নতুন ইতিহাস ।এখন মানুষ আকাশে উড়েবেড়ায়, বাতাসে কথাকয়। এখন সেই পুরোন যুগের নাখেয়ে কষ্টকরে খেজুর খেয়ে বাঁচার স্বপ্ন আরকেউ দেখেনা । এখন ভাল মোবাইল, ল্যাপটপ, ইন্টারনেট নিয়ে মানুষ মাথাঘামায় । এখন এই যুগে পরোন সেই অমানবিক পশুবলি সেই জিহাদ সেই নিকৃষ্ট কর্ম করে মানুষকে আর অন্ধকারে ফেলে দেয়া যাবেনা । এখনো বাংলাদেশের মানুষরা এতো নিরবুদ রয়েছে যে তারা এখন স্বপ্ন দেখে সেই রূপকথার বেহেস্ত সেই দোজখ, হুর , পরি , পিশাচ , পৃথিবী গুরেনা সুর্য পৃথিবীর চারপাসে গুরে । সকালের সুর্য সারা দিন গুরে ফিরে সন্ধায় আল্লার আরশের নিচে গিয়ে আল্লাহে সেজদা দেয় । মানুষ কত বোকা আর নিরবুদ হলে এই রূপকথা গুলি বিশ্বাস করে তা হয়ত ধার্মিকরা জানে না তাই তারা পশুবলি দিয়ে কুরবানির ঈদে নিজেরা পশুতে পরিণত হয়েছে ।