শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

guerra rusia vs ucrania

 Los presidentes de todos los países, incluidos los de Europa y América, tiemblan de miedo ante el ataque de Rusia.

 El único que despertó fue el ucraniano.

 Estoy impresionado y saludo su patriotismo y amor por el país. En su honor, me gustaría saludar a los civiles que se han enfrentado al ejército ruso por miedo a las balas y los ataques con cohetes.

সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১

পথ শিশু ।


কেউ দেখেনা খালি গায়ে 

শীতের রাতে কুকুরের পাশে শুয়ে থাকা শিশু । 

কেউ দেখে না  কিশোরী মেয়েকে ছিড়ে খায় শকুনেরা । 

কেউ দেখেনা শিশুর পাশে অযত্নে অবহেলায় 

মরেপড়ে থাকা তার অভাগিনী মা ।

শিশুটি অপেক্ষায় থাকে সারা দিন, সারা রাত  ।

কিন্তু ফুটপাতে পড়েথাকা মা আর কোন দিন যাগে না । 

অবুঝ শিশু বুঝেনা তার মা মারা গেছে  ।

তবুও শিশু তার মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে বলে 

ওঠো,জাগো মা আমার খুব খিদা লাগেছে খেতে দাও ।

অনিকের প্রান্তর ।

যখন এই দেহ থেকে চলে যাবে প্রাণ 

এই পৃথিবীর সকল যন্ত্রণার হবে অবসান 

পড়ে থাকবে প্রাণ অনিকের প্রান্তর 

একা একা ঘুরে বেড়াবো দূর-দূরান্তর  

গ্রহ থেকে  গ্রহে  

নক্ষত্র থেকে নক্ষত্রে 

আকাশ গঙ্গা ছায়াপথ দেখে 

অ্যান্ড্রোমিডা ছায়াপথে  

ব্ল্যাক হোল থেকে ওয়ার্মহোল 

দেখবো কত শত উনিভার্স থেকে মাল্টিভার্স 

আমি হয়ে যাব এই বিশ্বজগতের এক বিশাল অংশ ।

আমাকে কেউ করতে পারবে না ধ্বংস ।

হয়ে যাব অবিনশ্বর ।

প্রতি সন্ধ্যায় বসাবো কবিতা পাঠের আসর 

গ্রহ থেকে গ্রহে ।

তারকা থেকে  তারকয় ।

কবিতার ছন্দে আনন্দে হারাবে মহাবিশ্ব সুরের মূর্ছনায়। 

বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১

চিঠি

প্রিয় প্রিয় তমা আমার । 

আমার প্রানের প্রিয়তমা  । 

সব পড়ে থাকবে । 

শুধু আমি থাকবো না । 

আমার প্রিয় বই, 

 প্রিয় কলম, প্রিয় লেখার খাতা ।

প্রিয় ফুলবাগান , প্রিয় জন্মভূমি। 

যেখানে জন্ম নিয়ে বেঁচে আছি জনম জনম ।

যেখানে শৈশব-কৈশোর-যৌবন পার করে এসেছি । 

ভালোবেসে ফুল, নদী,ঘাস ,লতাপাতা,

প্রিয় পেয়ারা গাছ ।

যার ফুলে ,ফলে ঘ্রাণে বেড়ে ওঠা আমার শৈশব ।

চললাম এক অজানার পথে । 

নতুন জগতে । 

যেখান থেকে হয়তো ফেরা হবেনা কোনদিন আর ।

শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১

দুঃখটা আমার রয়েই গেল ।

 দুঃখটা আমার রয়েই গেল 

বুকের খুব গভীরে 

কৃষ্ণগহ্বরের মত গ্রাস করে নিচ্ছে ধীরে ধীরে 

তার অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছি 

শেষ হয়ে যাচ্ছে জীবনের সব লেনদেন । 

এই ছোট্ট জীবনে সুখের ছোঁয়া কোনদিন পেলাম না । 

দুঃখের বোঝা মাথায় নিয়ে হাটতে হাটতে আমি ক্লান্ত ।

আর কোথায় যাবো ? 

কোথায় গেলে সুখ পাব ? 

হয়তো এই পৃথিবীতে কিছু মানুষ আসে  

দুখের সাগরে বিলীন হয়ে যেতে । 

আমিও বিলীন হয়ে যাব চিরতরে 

আসবো না আর কোন দিন ফিরে এই ধরণীর তীরে । 

জানি তাতে কিছু যায় আসে না কারো 

তবুও লিখে যাব তাহাদের তরে । 

যারা আমার মত ঝরে পড়ে গেছে অঝোরে । 

যাদের থ্রি ডাইমেনশনের এই মহাবিশ্বে 

তিনকূলে কেউ নেই । 

যারা হয়নি কোনদিন কারো ভালোবাসার মানুষ । 

জুটেছে কেবল অবহেলা । 

যাদের মায়া-মমতা হীন কেটেছে ছেলেবেলা।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১

প্রেমের ইতিহাস ।

 প্রথম দিনের সূর্য 

যখন নেমে আসে পশ্চিম আকাশে 

কপোত-কপোতীরে জড়িয়ে ধরে ভালোবেসে ।

হৃদয়ের এই মধুর খেলা 

থামে না কভু নেমে আসে সন্ধ্যা 

কেটে যায় বেলা । 

সন্ধ্যার আকাশে কালো মেঘ 

বৃষ্টির মত ঝরে পড়ে অঝোরে ভালবাসার মধুর আবেশ ।

সৃষ্টি করে এক গভীর প্রেমের ইতিহাস 

তার সাক্ষী তাকে চন্দ্র-সূর্য আকাশ,বাতাস । 

মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

কাদম্বরীর সুইসাইড

 

রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীকে নিয়ে লেখা আমার একটি স্বরচিত কবিতা কাদম্বরীর সুইসাইড

——আলমগীর হুসাইন । 

একটিমাত্র হৃদয় তাতে বিদলো হাজার তীরের ফলা 

একে একে হয়ে গেল সব শেষ 

হলো না পথ চলা ।

তোমার পথ মিলিয়ে গেল দিক দিগন্তে 

আর আমি হারিয়ে গেলাম অনন্তে  ।

আর আসবো না তোমার দ্বারপ্রান্তে 

দেখা হবে না পথ প্রান্তে  । 

আশার আলো হয়ে গেল সব ফ্যাকাশে 

জানি তবুও উদিত হবে সূর্য , পূর্ব আকাশে  

অস্ত যাবে সন্ধ্যায় । 

ছেয়ে যাবে আকাশ তারায় তারায় 

আমি মিলিয়ে যাব সেথায় । 

যদি কোনদিন কেউ ভালোবাসো আমায় 

খুঁজে নিয় সেথায়  । 

তাই বুকভরা ব্যথায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে  

সূর্যের মতো এক জ্বলন্ত হৃদয় নিয়ে 

চলে গেলাম অনন্ত ধূসর জগতে । 

ফিরে আসবো না আর কারো পথের কাঁটা হতে ।

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২১

রক্ত 

আজ রাতে লেখব জীবনের সবচেয়ে দুঃখের কবিতা । 

যে দুঃখের কোন রং নেই 

আছে কেবল হৃদয় ভেদ করা কৃষ্ণগহ্বরের মত ছোট-বড় হাজার কোটি গর্ত 

আজ এই নিশিতে মনে পড়ছে তাকে ,

যাকে চিরজীবন ভালোবেসেছি অথচ তার মুখ কোনদিন দেখা হলো না একটিবার । 

আজ এই নিশিতে মনে পড়ছে সেই বুকছেড়া বিরহের গভীর রাতের কথা 

যে রাতে কোন তারা ছিল না আকাশে 

কালো অন্ধকারে ছেয়ে গিয়েছিল বসন্তের আকাশ 

যে রাতে মরে গিয়েছিল সেই আহত যুবক 

যার প্রেমিকার ছুড়ে মারা তীরের আঘাতে ঝরছিল লাল রক্ত অনর্গল 

সে যুবক কোনদিন সেই ক্ষত সারিয়ে তুলতে চায় নি 

সে যুবক কোনদিন ঝরতে থাকা রক্ত মুছেনি 

এটা তার প্রেমিকার শেষ দেয়া উপহার ভেবে। 

শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

কৃষ্ণগহ্বর

কৃষ্ণগহ্বর । 


কি ভীষণ বেদনায় কাটে দিন,কাটে রাত । 

আসে অমাবস্যা 

চারদিক অন্ধকার 

ঘোর ঘন মেঘে ছেয়ে গেছে 

ফাগুনের আকাশ । 

চারদিকে নেমেছে হতাশা হাহাকার 

যেন পৃথিবী এক গভীর কৃষ্ণগহ্বরে নিমজ্জিত । 

কোথাও কারো কোন সাড়া নেই । 

গভীর অন্ধকারে ঘুরপাক খাচ্ছে পৃথিবী। 

সবকিছু গভীর অথলে থলিয়ে যাচ্ছে । 

পৃথিবীর কিংবা বহির্জগতের কোন নিয়ম করছেনা কাজ । 

সময়ের গতি ও কেবল সামুকের গতির মত লাগছে । 

আলোর চেয়ে অধিক গতিতে মহাবিশ্ব ভ্রমণ করছি।  

অনন্তকালের অনন্ত মহাবিশ্বের অনন্ত ভ্রমণে আছি । 

জানিনা এর শেষ কোথায় ?

তবু ছুটেছি মহাজাগতিক নিয়মের বিপরীতে । 

কারণ আমরা মানুষ ! কৌতুহলী জানতে চাই সবকিছু । 

কিন্তু এই মহাবিশ্বের রহস্য কি আদৌ জানতে পারবো আমরা ?কারণ আমরা তো আমাদের নিজেকেই জানিনা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০

জীবন । 

জীবন ? 


কিছু কিছু মানুষের জীবন কষ্ট দিয়ে শুরু হয়,

কষ্ট পেয়ে শেষ হয়ে যায় । 

আবার কিছু কিছু মানুষের জীবন সুখ দিয়ে শুরু হয় 

সুখের মাঝেই শেষ হয়ে যায় । 


আবার কিছু কিছু মানুষের জীবন কষ্ট দিয়ে শুরু হয় 

সুখ দিয়ে শেষ হয়ে যায় । 

আবার কিছু কিছু মানুষের জীবন 

সুখ দিয়ে শুরু হয় 

আবার কষ্ট পেয়ে শেষ হয়ে যায়। 


এইত জীবন । এর মানে । 

আসা যাওয়া পথের মাঝে খানিক সময় খেলা । 

দুঃখ সুখের জীবন মেলায়,হারিয়ে যাওয়া বেলা ।

ভালবাসা 

অমাবস্যার এক গভীর রাতে,তুমি আমার বুকে চুমু খেয়ে,

কোলে মাথা রেখে,বলেছিলে ভালবাসি । 

সে রাত পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল চন্দ্রিমায় । 

গগনে জেগে উঠেছিল শত সহস্ত্র তারা, মিটি মিটি হাসি । 


আকাশে,বাতাসে,

সাগরে,পাতালে প্রতিদ্ধনী উঠেছিল 

ভালবাসি,ভালবাসি,ভালবাসি । 


ভালবাসা এক অমূল্য সম্পদ । 

ভালবাসা এক রাত জাগা হলুদিয়া পাখি । 

সে সময় অসময় করে কোকিলের মতো ডাকাডাকি । 

ভালোবাসা এক জীবন,মরণ খেলা । 

কখনো হাসায়,কখনো ভাসায় দুঃখের বেলা ।

প্রিয় বন্ধু 

প্রিয় বন্ধু লিটন দাসনেই । 

মনে পড়ছে বারবার তার কথা, 

তাকে নিয়ে প্যারিসের অলিগলিতে,দিনরাত্রি 

কত ঘোরাফেরা, 

কত হাসি, গান । 

আজ বিকেলবেলা পাপ্পু, প্যারিস থেকে আসছে । 

যাব তার সাথে সমুদ্র স্নানে। 

স্পেনের একটি শহর । 

সান সেবাস্তিয়ান,ধনস্তিয়া । 

দূর সমুদ্রের বেলাভূমিতে ভাসাব গা। 

কিন্তু তুই হীন বন্ধু 

বুকের বা পাশ, খালিই রয়েযাবে । 

যেখানে থাকিস,ভাল থাকিস বন্ধু ।

মানবতা । 

আমি মরুতে সাজাবো ফুলবাগান 

পাষাণের বুকেতে জাগাবো প্রেমের তুফান। 

আমি প্রচন্ড শীতে হব উষ্ণ 

আমি প্রচন্ড প্রেমে হব কৃষ্ণ 

আমি প্রচন্ড খরায় হব বৃষ্টি । 

সারা পৃথিবীতে করবো ভালোবাসার সৃষ্টি। 

যে ভালবাসায় দূর হয়ে যায় 

মানুষের মনে,লুকানো সব হিংস্রতা 

পৃথিবীতে জয়ীহয় মানবতা ।

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

একজন হতভাগা মায়ের কবিতা ।

একজন হতভাগা মায়ের কবিতা । 


প্রকৃতি দেখে না মোর চোখের জল । 

প্রকৃতি দেখেনা পথে খালি গায়ে শুয়ে থাকা 

শীতের রাতে কুকুরের পাশে পথশিশু । 


প্রকৃতি দেখে না ভিখারীর কিশোরী মেয়েকে ছিড়ে খায় শকুনেরা । 

প্রকৃতি দেখেনা ছোট শিশুটির পাশে অযত্নে অবহেলায় মরেপড়ে থাকা তার অভাগিনী মা ।

শিশুটি অপেক্ষায় থাকে কবে ওঠবে তার মা ।

তাকে দেবে করতে তার দুগ্ধ পান । 

শিশুটি সারা দিন, সারা রাত 

অনাহারে বসে থাকে তার মায়ের পাশে

কিন্তু ফুটপাতে পড়েথাকা মা আর জাগে না।

সাধীনতার কবিতা ।

সাধীনতার কবিতা । 

আমি রাজত্ব চাইনা মুক্তি চাই 

ভুরিভুরি মুক্তি 

সারি সারি মুক্তি 

তুলনাহীন মুক্তি 

পৃথিবী নামক গ্রহে কোটি কোটি বছর ধরে বন্দী আমার জীবন ।আমি মুক্তি চাই ।

উড়ে বেড়াতে চাই মুক্ত পাখির মতো ,আলোর গতিতে 

গ্রহ থেকে গ্রহে ,

নক্ষত্র থেকে নক্ষত্রে , 

গ্যালাক্সি থেকে গ্যালাক্সিতে , 

এক ব্রহ্মাণ্ড থেকে আরো এক ব্রহ্মাণ্ড । 

তার জন্য হয় যদি সাজা মৃত্যুদণ্ড 

আমি মাথা পেতে মেনে নেব ,

বিজয় উল্লাসে করব মৃত্যুবরণ ।

হয়তো কোনদিন পৃথিবী আমাকে করবে স্মরণ 

যখন পুঁজিবাদী সমাজের ছত্রছায়ায় ।

ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে 

পৃথিবীর প্রতিটা মানুষের হাতে পড়তে হবে, 

ওই নির্মম লোহার শিকল ।

ধনী ,ব্যবসায়ী ,কোটিপতি ,

রাজার ছেলে এবং তার সেনাপতি ।

পুঁজিবাদী সমাজের শীর্ষ বিত্তবান লোকদের কাছে মাথানত করবে পৃথিবীর সকল সাধারণ জনতা । 

তখন বুঝবে কাকে বলে মুক্তি 

এবং কাহাকে বলে স্বাধীনতা।

সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

জীবন সংগ্রাম । 

কেউ দেখেনা আমার গভীর গোপনও ব্যাথা । 

দিনের শেষে গোধূলিলগ্নে সন্ধ্যা নেমে আসে । 

পাশে রজনীগন্ধার সুভাষ ছড়ায় বাতাসে । 

যখন ঘরে ফেরে সব পাখি।  

যখন হুতোম প্যাঁচা গভীর নিশিতে করে ডাকাডাকি।  

সবাই ঘুমে , নির্জনে আমি জেগে থাকি । 

তখন কি ভীষণ যন্ত্রণা আমার বুক ছিঁড়ে খায়।  

যেমন ছিঁড়ে খায় শকুনেরা টুকরো টুকরো মাংস । 


কি করে বল বেঁচে থাকি। 

একটা মানুষ কত যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে? 

জীবনের সব আশা যখন নিরাশার পাখি হয়ে উড়াল দিয়ে চলে যায়।   

জীবনে কিবা থাকে তখন বেঁচে থাকার মতো।   

অমাবস্যার রাত গভীর অন্ধকার । 

তার চেয়ে আরো আরো গভীর অন্ধকার আমায় ঘিরে ফেলে । প্রতিরাত গলাটিপে ধরে , 

নিঃশ্বাস নিতে পারিনা । 

মনে হয় যেন মরেগেছি ।  

তারপরও প্রতি ভোরে, আহত পাখির মতো ডানা ঝাপটে নেমে পড়ি জীবনসংগ্রামে ।

শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৯

জীবন জ্বালা।  

জীবন তুমি কি ?

জীবন কে বলি 

জীবন হাসিয়া বলে আমি তোমারি পথ চলি। 


আমি কে আমি আমাকে প্রশ্ন করি ?

এক দৈব কন্ঠে কেউ আমাকে বলে 

আমি এক জলন্ত অগ্নিগিরি। 

যার জন্ম জ্বলতে জ্বলতে  

তারপর নিজেকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে 

একসময় মারা যায়। 

কেউ আর তার কোনো খবর রাখেনা।

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯

Frutas y verduras de Entrevías .

Horario.
por la mañana 9:00
y por la noche 22:00
frutas y verduras y alimentación y mucho más .
dirección calle cierra de contraviesa 41 .28053 Madrid .



শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৯

সেই দিন আর তুমি । 

অনেক দিন পর, অনেক দিন আগের, আমার ছোট বেলার সৃতি নিয়ে একটি কবিতা লেখলাম । কবিতাটি আজ সবার কাছে শেয়ার করলাম,যদি আমার ছোট বেলার মত কারো ছোটবেলা মিলে যায়, তাহলে জানাবেন । ধন্যবাদ। 


সেদিনের সেই দাড়িয়ে থাকা , 

একটি পলক তোমায় দেখা 

তার পর লাফিয়ে লাফিয়ে 

হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে বাড়ি ফেরা ।


দুষ্টমিতে মায়ের বকা  

বোনের শাসন  

বাবার আদর

জড়িয়ে কাঁদা বিছানা চাদর । 


সকাল বেলায় স্কুলে যাওয়া, 

বিকাল বেলায় গান গাওয়া, 

দুপুর বেলায় পুকুর জলে দলে দলে সাতার কাটা ,

দুটি টাকার জন্য সারা দিন মায়ের আচল ধরে পিছু হাটা । 


পাশের বাড়ির আম চুরি, 

তাড়িয়ে আসা গায়ের বুড়ি। 

সারা দিন মাটে, ঘাটে  

সন্ধ্যা বেলায় বই পাঠে। 


দাদির কাছে কেচ্ছা শুনা 

মনে মনে স্বপ্ন বুনা ।   

সিনেমা দেখে নাইকার প্রেমে পড়া 

তাকে নিয়ে পত্র লেখা 

গান শুনা । 

কবিতা পড়া । 


বিলের ধারে জাল দিয়ে মাছ ধরা 

শাপলা পুলের গন্ধে হৃদয় উজাড় করা ।


এইতো ছিল জীবন 

ছোট বেলা মধুর খেলা  

খুজি আমি এখন।

সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৯

, কোরান না বিজ্ঞান কোনটা সত্য।

কোরানে যদি ১৫ শ বছর আগে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি ছিল তাহলে  এতদিন লাগলো কেন এই বিষয় বুঝতে ? কোরানে যেহেতু ছিল তাহলে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি কয়েক শত বা কয়েক বছর আগেই প্রকাশ করলে হত ,বুঝা যেত কোরানে বিজ্ঞান আছে। আর তা এমন সময় প্রকাশ করা হলো মুল্লাদের তরফ থেকে , যখন সবে মাত্র  বিজ্ঞানিরা কৃষ্ণগহ্বরের ছবি আবিষ্কার করে হাফ ছাড়লো। মুল্লা,মুন্সীরা আগে এর ব্যাখ্যা দিলো না কেন ? বিজ্ঞান যখন আবিষ্কার করল , তার পর বিজ্ঞানের সব কিছু কপিরাইট, করে সেটা কোরানের নামে চালিয়ে দিইয়ে কোরানের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে মডারেটরা। তোরা মানুষ হবি কবে ? আর কত কাল মিথ্যাচার করে মানুষকে অন্ধকরে বন্ধ রাখবি তোরা । কোরানে সব কিছু পাওয়া যায় তবে সেটা বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করার পরে , এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি আর কি হতে পারে। আচ্ছা আজ আমার একটা  প্রশ্ন যদি তার উত্তর দিতে পারো কোরান থেকে , কথা দিলাম আমি আবার মুসলমান হয়ে যাব । প্রশ্ন টা হচ্ছে বিজ্ঞানীরা বলেছে যে এই মহা বিশ্বে এলিয়েনরা কোথাও না কোথাও আছে, তবে আমার প্রশ্ন টা হল , মহা বিশ্বের কোথায় এবং কি আবস্তায় এলিয়েনরা আছে ? তারা কি খায় ?  কি পরে ? কি করে ? সে খানেও কি  ধর্ম নিয়ে মারা মারি কাটা কাটি হয় ? । উত্তর দাও ।